বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

সুপ্রিম কোর্টে তথ্য সেল খোলার পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট : তথ্য অধিকার আইন অনুসারে ৬০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তথ্য সেল চালুর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৫ জুন) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে রুলসহ এ আদেশ দেন।

রুলে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ৪ ও ১০ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে ‘তথ্য সেল’ প্রতিষ্ঠা করে একজন তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ছেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত ২৬ মে এ রিট করেন শিশির মনির।

এর আগে, গত ১৬ মে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবরে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন এ আইনজীবী।

ওইদিন শিশির মনির জানিয়েছিলেন,তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে বিধান করার লক্ষ্যে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) প্রণয়ন করা হয়।

আইনের ধারা ৪ মতে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার থাকবে এবং কোন নাগরিকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে। আইনের ধারা ২(খ)(অ) এ প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুসারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এই আইনের আওতাধীন একটি কর্তৃপক্ষ। ওই আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের নিমিত্ত প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ আইন জারির ৬০ দিনের মধ্যে তথ্য প্রদান ইউনিটের জন্য একজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করবে।

এ আইনের বিধানের প্রতিপালনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু আইন প্রণয়নের এক যুগেরও অধিক সময় অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে এমন কোন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাই তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধান প্রতিপালনে অনতিবিলম্বে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তথ্য প্রদান ইউনিট চালু এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা অত্যাবশ্যক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুকে আমরা